কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বৃহস্পতিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১ এ ০৭:৪৮ PM
কন্টেন্ট: পাতা
শ্রীবরদী উপজেলা বিভিন্ন প্রাকৃতকি সম্পদে সমৃদ্ধশালী। শ্রীবরদীর পাহাড়ী অঞ্চলে অত্যন্ত মূল্যবান খনজি পাথর, সাদা মাটি , নূড়ি ও সলিকিা বালি রয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদশে ভূ-তত্ব জরপি দপ্তর (জএিসব)ি এক জরপি চালয়িে এখানে র্পযাপ্ত পরমিানে সাদা মাটরি মজুদ পেয়েছে।যার দর্ঘ্যৈ ২ কলিোমটিার এবং প্রস্থ ২ মটিার লন্সে আকারে ছড়ানো। মজুদরে পরমিান প্রায় ১৩ হাজার টনরে মতো। এ মাটি সাধারনত দখেতে হালকা ধূসর র্বনরে, কছিুটা হালকা বাদাম-ি সাদা র্বনরে। এতে এ্যালোমনিয়িাম (হ-ি২.৩) পরমিান শতকরা ২০ ভাগ থকেে ৩০ভাগ।শ্রীবরদী উপজেলার কুটির শিল্পের ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। এ এলাকার বাঁশশিল্প এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্যস্থানে রপ্তানি হচ্ছে। নকশীকাঁথা তৈরী করে গ্রামীণ অনেক মহিলা সংসারের আয়বর্ধন করছে। একসময় সরকারি উদ্যেগে রাণীশিমুল ইউনিয়নের ভায়াডাঙ্গা বাজারে কুটির শিল্পপল্লী গড়ে উঠেছিল। এখানকার আদিবাসী পরিবারগুলোর তৈরী বিভিন্ন বাঁশশিল্প ও বুননকরা বিভিন্ন পোষাক সত্যিই নজরকারা। সমাদর রয়েছে এখানকার কামার ও কুমার শিল্পীদের তৈরী তৈজসপত্রের। অধিবাসীদের মধ্যে বাঁশ শিল্পের সঙ্গে জড়িত রয়েছে ২৭০ পরিবার, স্বর্ণাকার ২২ জন, কামার ৫৫ জন, কুমার ৩৫ জন, কাঠের কাজ ১৩৯ টি পরিবার এবং ২৭৫ টি পরিবার সেলাইয়ের কাজে জড়িত।